বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ বাংলা রচনা

আদিম যুগে সারা পৃথিবী ছিল অরণ্য সংকুল। আর সেখানেই ছিল মানুষ ও বন্য প্রাণীদের বাসস্থান। নিত্যসঙ্গী উভয় বাস করত। কিন্তু কালক্রমে উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনের আর যার জন্য ধ্বংস করে অরণ্য। যদিও কৃষিকাজ করে তারা ফসল ফলাতে থেকে পায় খাদ্যদ্রব্য।

কিন্তু দিনে দিনে তাদের প্রয়োজন বেড়ে যায় যায় চাহিদা বাড়ে। আর তাই রাজরাজরা শুরু করেন মৃগয়া।বর্তমানে যা হয়ে দাঁড়ায় পশু শিকার। আর এর উদ্দেশ্য হলো পশুদের বিভিন্ন শরীরের অংশ বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা। হরিণ, বাঘ, মহিষ, সিংহ ইত্যাদি পশুদের মধ্যে কাউকে ছেড়ে কথা বলে না।

বন্য প্রাণীর বিলুপ্তি

যত দিন যাচ্ছে মানুষের অত্যাচারে তাদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। খাদ্যের অভাব পূরণ হচ্ছে না তাদের। তাই লোকালয় দিকে এগিয়ে আসছে তারা। আমাদের পৃথিবীর বহু প্রাণী বিলুপ্ত। আর কিছু প্রাণী আজ ধ্বংসের মুখে। কেননা তাদের প্রয়োজনীয় বাসস্থানে ঘাটতি হচ্ছে।

অরণ্যের বিলুপ্তি ঘটছে। এছাড়াও আছে কিছু অসৎ লোকের অসৎ মতলব। যার ফলে বন্যপ্রাণীদের জীবন বিপন্ন। আবার দূষিত পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী টিকে থাকার পক্ষে উপযুক্ত থাকছে না।

মানুষ ও বন্যপ্রাণী

জীব জগতের প্রতিটি প্রাণী সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। আমাদের জৈবমন্ডল তৈরি হয়েছে উদ্ভিদ, জল, বায়ু, মাটি ইত্যাদি। জীব জগতের প্রতিটি পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। একে অপরের উপর নির্ভরশীল হয়ে বেঁচে থাকি।  মানুষেরা তাদের কাছে একটা বড় আকর্ষণ বন্য এবং বন্যপ্রাণী।

আর এই জন্যই গড়ে উঠেছে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র। মানুষদেরসতর্ক থাকতে হবে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করার জন্য। মানব শিশু যেমন তার মার কাছে ভালো থাকে ঠিক তেমনভাবে বন্যপ্রাণীরা অরণ্য সুস্থ জীবন যাপন করতে পারে।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা একান্ত প্রয়োজন সেটা আজ বুঝতে পেরেছে।সংরক্ষণের জন্য প্রথম আমেরিকান ন্যাশনাল পার্ক গড়ে ওঠে। ধীরে ধীরে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বাঘ, সিংহের সংখ্যা আজ বিলুপ্ত হবার থেকে রক্ষা পেয়েছে। ব্যাঙেরপাচার একসময় এমন বৃদ্ধি যার ফলে মশার সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যায়।

বর্তমানে সরকারী নীতি দ্বারা এটি বন্ধ করা হয়েছে।প্রকৃতির প্রতিটি ছোট ছোট জিবি পরিবেশকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আর তাই প্রকৃতির প্রতিটি জীবকেই সংরক্ষণ করতে হবে।বন্য প্রাণী সংরক্ষণ করা আমাদের একান্ত গুরুত্বপূর্ন করনীয়।কিন্তু একই আমরা কোনোভাবেই গ্রাহ্য করিনা। করি না কিন্তু তার প্রতিকার অসম্ভব।

আমাদের মধ্যে যে শিশুরা রয়েছে তাদেরও শিক্ষার মাধ্যমে আসে পাসে পশু এবং বন্যপ্রানীদের সম্পর্কে ধারনা অর্জন করাতে হবে।যদিও বর্তমানে গণমাধ্যমের সাহায্য নিয়ে ভীষনভাবে মানবসমাজকে বার্তা দেওয়া হচ্ছে। অরণ্য ও অরন্যর প্রাণীরা বিভিন্ন দিকে থেকে মানুষের নিত্যসঙ্গী। আর তাই এদের সংরক্ষণের ব্যাপারে নজর দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।

আরও পড়ুন: জলাভূমি সংরক্ষণ বাংলা রচনা

Leave a Comment